সকল কারকে শূণ্য বিভক্তির প্রয়োগ।


পোস্ট করা হয়েছে:- নভে ৫ ২০১৬| পোস্টটি করেছেন:- |পোস্টটি পড়া হয়েছে:- 759বার
পোস্টটি শেয়ার করুণ

কারক ও বিভক্তি বাংলা ব্যাকরণের অবিচ্ছেদ্য অংশ। কারক বিভক্তি পড়তে হয়না এমন ছাত্রকে পাওয়া যাবেন। কিন্তু কারক বিভক্তি মনে রাখা অনেকেরই কাছে জটিল মনে হয়। ইংরেজি গ্রামারের চেয়ে বাংলা ব্যাকরণ বেশ কঠিণ। মনে রাখার জন্য আমাদের বিভিন্ন কৌশল অবলম্বন করতে হয়।

কারক ৬ প্রকার।    (ক) কর্তৃকারক  (খ) কর্মকারক   (গ) করণ কারক  (ঘ) সম্প্রদান কারক (ঙ) অপাদান কারক (চ) অধিকরণ কারক

কারক ও বিভক্তি সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে পড়ুন

শূণ্য বিভক্তি হচ্ছে- অ, (০) শূণ্য।

আসুন সহজেই জেনে  সকল কারকে শূণ্য বিভক্তি ( অ, শূণ্য) মনে রাখার সহজ টেকনিক। নিচের বাক্যটি মনে রাখুন।

অপু, তাজ বস।

অ= অমল বই পড়ে।

( কে বই পড়ে? অমল। এখানে অমল কর্তৃকারক। অমল এর শেষে শূণ্য বিভক্তি অর্থাৱ অন্যকোন বিভক্তি যোগ হয়নি।)

পু= পুলিশ ডাকো।

( কাকে ডাকো? পুলিশ। এখানে পুলিশ কর্মকারক। পুলিশ এর শেষে শূণ্য বিভক্তি অর্থাৱ অন্য কোন বিভক্তি যোগ হয়নি।)

তা= তাস খেলা ভালো নয়।

(দ্বারা দিয়া বুঝালে করণকারক হয়। এখানে তাস করণকারক। তাস এর শেষে শূণ্য বিভক্তি অর্থাৱ অন্য কোন বিভক্তি যোগ হয়নি।)

= জীর্ণ দেখে পোষাক দাও।

ছেড়া কাপড় পরিহিত লোক দেখলে কাপড় দাও। সাধারণত মানুষ দান করে কোন প্রাপ্তির আশা ছাড়াই। দান বুঝালে সম্প্রদান কারক হয়। জীর্ণ এর শেষে শূণ্য অর্থাৎ অন্য কোন বিভক্তি বসেনি।

= বাবা ভয় দেখান।

ভীত, উৎপন্ন, গৃহীত বুঝালে অপাদান কারক হয়। বাবা একটি মৌলিক শব্দ। এর শেষে অন্য কোন বিভক্তি যোগ হয়নি। সুতারং এটি অপাদান কারকে শূণ্য বিভক্তি।

= সকাল বেলা পাখি ডাকে।

কোথায়, বা কখন দিয়ে প্রশ্ন করে উত্তর পাওয়া গেলে অধিকরণ কারক হয়। অর্থাৎ স্থান বা কাল বুঝালে অধিকরণ কারক হয়। আর সকাল শব্দের শেষে অন্য কোন বিভক্তি যোগ হয়নি। তাই এটি অধিকরণ কারকে শুণ্য বিভক্তি।

কারক বিভক্তি প্রায়ই বিভিন্ন পরীক্ষা এমনকি বিসিএস সহ অন্যান্য চাকরী পরীক্ষায় আসে। সুতারং পোস্টটি ভালো করে পড়ুন। আশা করি কারক সম্পর্কে আপনার জ্ঞানের পরিধিকে বাড়াতে সহায়তা করতে পারে। পোস্টটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন।

পোস্টটি শেয়ার করুণ

সর্বশেষ আপডেট: নভেম্বর ৫th, ২০১৬ সময়: ৬:০৪ অপরাহ্ণ, আপডেট করেছেন মুনজুরুল আলম (এডমিন)


লেখক পরিচিতিঃ- মুনজুরুল আলম (এডমিন)

আসসালামু আলাইকুম। আমি মুনজুরুল আলম। বর্তমানে একটি সরকারি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত আছি। আমি ছোট বেলা থেকে লেখলেখি করায় মজা পাই। আমি মনে করি জানার কোন শেষ নেই। আমি সবার কাছ থেকে শিখতে পছন্দ করি। আর আমার শেখা তখনই স্বার্থক হবে যখন তা অন্যের কাছে পৌছে দিতে পারব।আর আমি চাই সবাইকে আমার ওয়েবসাইটে মেধা বিকাশের সুগোয দিতে। তাই আপনিও পারেন আমাদের ওয়েব সাইটের একজন লেখক হতে। তাহলে আজই রেজিস্ট্রেশন করুন ।


Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Time limit is exhausted. Please reload CAPTCHA.