সকল কারকে শূণ্য বিভক্তির প্রয়োগ।

পোস্টটি করা হয়েছে:- নভে ৫ ২০১৬ পোস্টটি করেছেন:-

কারক ও বিভক্তি বাংলা ব্যাকরণের অবিচ্ছেদ্য অংশ। কারক বিভক্তি পড়তে হয়না এমন ছাত্রকে পাওয়া যাবেন। কিন্তু কারক বিভক্তি মনে রাখা অনেকেরই কাছে জটিল মনে হয়। ইংরেজি গ্রামারের চেয়ে বাংলা ব্যাকরণ বেশ কঠিণ। মনে রাখার জন্য আমাদের বিভিন্ন কৌশল অবলম্বন করতে হয়। কারক ৬ প্রকার।    (ক) কর্তৃকারক  (খ) কর্মকারক   (গ) করণ কারক  (ঘ) সম্প্রদান কারক (ঙ) অপাদান কারক (চ) অধিকরণ কারক কারক ও বিভক্তি সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে পড়ুন। শূণ্য বিভক্তি হচ্ছে- অ, (০) শূণ্য। আসুন সহজেই জেনে  সকল কারকে শূণ্য বিভক্তি ( অ, শূণ্য) মনে রাখার সহজ টেকনিক। নিচের বাক্যটি মনে রাখুন। অপু, তাজ বস। অ= অমল বই পড়ে। ( কে… [বিস্তারিত পড়ুন] »


সকল কারকে সপ্তমী (৭মী) বিভক্তির প্রয়োগ।

পোস্টটি করা হয়েছে:- অক্টো ৩১ ২০১৬ পোস্টটি করেছেন:-
সকল কারকে সপ্তমী বিভক্তির প্রয়োগ

কারক ও বিভক্তি বাংলা ব্যাকরণের অবিচ্ছেদ্য অংশ। কারক বিভক্তি পড়তে হয়না এমন ছাত্রকে পাওয়া যাবেন। কিন্তু কারক বিভক্তি মনে রাখা অনেকেরই কাছে জটিল মনে হয়। ইংরেজি গ্রামারের চেয়ে বাংলা ব্যাকরণ বেশ কঠিণ। মনে রাখার জন্য আমাদের বিভিন্ন কৌশল অবলম্বন করতে হয়। কারক ৬ প্রকার।    (ক) কর্তৃকারক  (খ) কর্মকারক   (গ) করণ কারক  (ঘ) সম্প্রদান কারক (ঙ) অপাদান কারক (চ) অধিকরণ কারক কারক ও বিভক্তি সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে পড়ুন। সপ্তমী  বিভক্তি হচ্ছে- এ, য় ,তে। আসুন সহজেই জেনে  সকল কারকে সপ্তমী বিভক্তি ( এ, য়, তে) মনে রাখার সহজ টেকনিক। নিচের বাক্যটি মনে রাখুন। পাগুটা দীপতি। পা= পাগলে কিনা বলে। ( পাগলে… [বিস্তারিত পড়ুন] »


একটি স্বার্থক বাক্যের কয়টি গুণ থাকে?

পোস্টটি করা হয়েছে:- অক্টো ১৭ ২০১৬ পোস্টটি করেছেন:-
image of qualities of sentence

একটি স্বার্থক বাক্যের কী কী গুণ থাকতে পারে? যে সুবিন্যস্ত পদসমষ্টি দ্বারা কোনো বিষয়ে বক্তার মনোভাব সম্পূর্ণরূপে প্রকাশিত হয়, তাকে বাক্য বলে।অর্থাৎ পরস্পর সম্পর্কযুক্ত এক বা একাধিক শব্দ সুশৃঙ্খলভাবে বসে যদি একটি অর্থ প্রকাশ করে তখন তাকে বাক্য বলে। বাক্যের বিভিন্ন পদের মধ্যে পারস্পারিক সম্পর্ক থাকা আবশ্যক। ভাষার বিচারে একটি স্বার্থক বাক্যের তিনটি গুন থাকা আবশ্যক। ১। আকাঙক্ষা:- বাক্যের অর্থ পরিষ্কারভাবে বোঝার জন্য এক পদের পর অন্য পদ শোনার যে ইচ্ছা তাকে আকাঙক্ষা বলে। যেমন-সূর্য পূর্বদিকে-বললে বাক্যটি অসম্পূর্ণ। এটি মনের ভাব সম্পূর্ণ করতে পারেনি।এর পরে আরো কিছু কথা বা শব্দ শোনার ইচ্ছা হয়।যখন- সূর্য পূর্বদিকে ওঠে-বললে বাক্যটি পূর্ণতা পাবে। তাই… [বিস্তারিত পড়ুন] »


একটি বাক্যের মাধ্যমে সকল কারক এর প্রয়োগ।

পোস্টটি করা হয়েছে:- জুলা ১২ ২০১৬ পোস্টটি করেছেন:-
একটি বাক্যে কারক ও বিভক্তি

কারক ও বিভক্তি বাংলা ব্যাকরণের অবিচ্ছেদ্য অংশ। কারক বিভক্তি পড়তে হয়না এমন ছাত্রকে পাওয়া যাবেন। কিন্তু কারক বিভক্তি মনে রাখা অনেকেরই কাছে জটিল মনে হয়। ইংরেজি গ্রামারের চেয়ে বাংলা ব্যাকরণ বেশ কঠিণ। আজকের এই পর্বে আমরা জানবো একটি বাক্যের মাধ্যমে সকল কারকের পরিচিতি। বেগম সাহেবা প্রতিদিন ড্রাম থেকে নিজ হাতে গরিবদের চাল দিতেন। এখানে ১। বেগম সাহেবা                 কর্তৃকারক ২। চাল                          কর্মকারক ৩। হাতে                         করণ কারক ৪। গরিবদের                     সম্প্রদান কারক ৫। ড্রাম                          অপাদান কারক ৬। প্রতিদিন                     অধিকরণ কারক কে বা কারা দ্বারা প্রশ্ন করে উত্তর পাওয়া গেলে কর্তৃকারক। কে প্রতিদিন ড্রাম থেকে নিজ… [বিস্তারিত পড়ুন] »


কারক ও বিভক্তি মনে রাখার কৌশল।

পোস্টটি করা হয়েছে:- জুলা ১২ ২০১৬ পোস্টটি করেছেন:-
কারক ও বিভক্তি

কারক ও বিভক্তি বাংলা ব্যাকরণের অবিচ্ছেদ্য অংশ। কারক বিভক্তি পড়তে হয়না এমন ছাত্রকে পাওয়া যাবেন। কিন্তু কারক বিভক্তি মনে রাখা অনেকেরই কাছে জটিল মনে হয়। ইংরেজি গ্রামারের চেয়ে বাংলা ব্যাকরণ বেশ কঠিণ। আসুন সহজেই জেনে নেই কারক ও বিভক্তি মনে রাখার সহজ টেকনিক। কারক ছয় প্রকার। ১।কর্তৃকারক:যে কাজ করে সেই কর্তা বা কর্তকারক। যেমন: আমি ভাত খাই। বালকেরা মাছে ফুটবল খেলছে। এখানে মনে রাখার উপায় হচ্ছে ‘কে’ বা ‘কারা’ দিয়ে প্রশ্ন করে উত্তর পেলে সেই কর্তা বা কর্তৃকারক। কে ভাত খায়? উত্তর হচ্ছে আমি কারা ফুটবল খেলছে ? উত্তর হচ্ছে-বালকেরা। তাহলে আমি এবং বালকেরা হচ্ছে কর্তৃকারক। ২। কর্মকারক: কর্তা যে… [বিস্তারিত পড়ুন] »


কি এবং কী এর পার্থক্য।

পোস্টটি করা হয়েছে:- মে ১৮ ২০১৬ পোস্টটি করেছেন:-
image of ki and kee.jpg

বাংলা আমাদের মাতৃভাষা। এই বাংলা ভাষার রয়েছে বিশ্বজুড়ে অনেক কদর। বাংলা ভাষার ব্যকরণও অতি উন্নত মানের।  অনেক কবি সাহিত্যিক এবং ভাষা বিজ্ঞানীরা করে গেছের বাংলা ভাষার ব্যকরণকে সমৃদ্ধশালী। কোন ভাষাকে ভালোভাবে জানতে হলে সে ভাষার ব্যকরণকে জানতে হবে। বাংলা ব্যকরণের “কি” এবং “কী” নামক দুটি প্রশ্নবোধক অব্যয় আছে। আমরা অধিকাংশ সময় জেনে হোক বা না জেনে হোক “কি” ব্যবহার করে থাকি। কিন্তু সবসময় তো আর “কি” ব্যবহার করা যায়না। কিছু কিছু সময় “কী” ব্যবহার করতে হয়। আসুন জেনে নেই কোথায় “কি” এবং কোথায় “কী” ব্যবহার করতে হয়? ১।কোন প্রশ্ন করার পর তার উত্তর যদি হা বা না দিয়ে দেওয়া যায়… [বিস্তারিত পড়ুন] »


বিসিএস সহ বিভিন্ন চাকরী পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ কিছু সন্ধি বিচ্ছেদ ।

পোস্টটি করা হয়েছে:- মে ১৭ ২০১৬ পোস্টটি করেছেন:-

বাংলা আমাদের মাতৃভাষা। বাংলা ভাষার আছে অতি উন্নতমানের ব্যকরণ। এই ব্যকরণ অতি সমৃদ্ধ। বিভিন্ন চাকরি পরীক্ষায় দেখা যায় সন্ধি বিচ্ছেদ আসে। বলা যায় প্রায় প্রত্যেকটি চাকরীর জন্য কিছু গুরুত্বপূর্ণ  অধ্যায় হচ্ছে সন্ধি । পাশাপাশি দুই বা ততোধিক বর্ণের মিলনকে সন্ধি বলে। সন্ধি মূলত ৩ প্রকার । স্বরসন্ধি, ব্যঞ্জনসন্ধি এবং বিসর্গ সন্ধি। আসুন চাকরীর প্রস্তুতির জন্য গুরুত্বপূর্ণ কিছু সন্ধি বিচ্ছেদ জেনে নেই। প্রদত্ত শব্দ সন্ধি বিচ্ছেদ প্রদত্ত শব্দ সন্ধি বিচ্ছেদ শতেক শত+এক কতেক কত+ এক শাঁখারি শাঁখা+ আরি রূপালি রূপা + আলি মিথ্যুক মিথ্যা + উক হিংসুক হিংসা + উক কুড়িক কুড়ি + এক ধনিক ধনি + এক বারেক বার +… [বিস্তারিত পড়ুন] »


নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধি মনে রাখার সহজ উপায় ।

পোস্টটি করা হয়েছে:- মে ১৫ ২০১৬ পোস্টটি করেছেন:-

কতগুলো সন্ধি কোনো নিয়ম অনুসারে হয়না; এগুলোকে নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধি বলে। কোনগুলো নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধি তা জানার জন্য আমরা একটি কৌশল অবলম্বন করতে পারি। একাদশ বৃহস্পতি বারে তস্কর ও বনস্পতি পরস্পর গবাক্ষ চুরি করে আসছিলো, তখন ষোড়শী নায়িকা মনীষা ও তার অন্যান্য বান্ধবীদের সাথে দেখা হলো। নায়িকা আশ্চর্য হয়ে তার বান্ধবী পতঞ্জলিকে ডেকে বললো,”সখি এই কুলটারা কি কখনও নরকে যাবেনা“? উপরের বাক্যদ্বয়ে লাল কালি চিহ্নিত শব্দগুলো হচ্ছে নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধি। এই সন্ধি গুলোর বিচ্ছেদ জেনে নেই। আ+চর্য = আশ্চর্য এক+দশ = একাদশ বৃহৎ+পতি = বৃহস্পতি তৎ+কর = তস্কর বন+পতি= বনস্পতি পর+পর = পরস্পর গো+ অক্ষ = গবাক্ষ ষট্ + দশ… [বিস্তারিত পড়ুন] »


বিভিন্ন ভাষার শব্দ মনে রাখার সহজ উপায় ।

পোস্টটি করা হয়েছে:- মে ৩ ২০১৬ পোস্টটি করেছেন:-

১.পর্তুগীজ শব্দ মনে রাখার কৌশলঃ গীর্জার পাদ্রি গুদামের বড় কামারার আলমারীর চাবি খুলে বালতি ভর্তি পাউরুটি, আনারস  আতা, আচার, কাবাব এবং কেরাণিকে দিয়ে ইস্পাতের অন্য বাসনে আলকাতরা,আলপিন, ফিতা নিয়ে বেরিয়ে এসে সাবান মার্কা তোয়ালে পেতে বসলেন। লাল কালি চিহ্নিত গীর্জা, কামরা, পাদ্রি, গুদাম, আলমারী, চাবি, বালতি, পাউরুটি, আনারস, আতা, আচার, কাবাব, কেরানী, ইস্পাত, বাসন, আলকাতরা, আলপিন, ফিতা, সাবান, মার্কা এবং তোয়ালে পর্তুগীজ শব্দ। ২.ফরাসি শব্দ মনে রাখার কৌশলঃ বাংলা শব্দ ভান্ডারে বহু ফরাসি শব্দ আছে যা এই উপমহাদেশে ফরাসিদের আগমন এবং তাদের ভাষা থেকে আমাদের বাংলা ভাষায় স্থান করে নিয়েছে। নিচের চমৎকার ছড়াটির মাধ্যমে ফরাসি শব্দ মনে রাখা যায়। ফরাসিরা… [বিস্তারিত পড়ুন] »


উপসর্গ মনে রাখার সহজ উপায়।

পোস্টটি করা হয়েছে:- এপ্রি ১৪ ২০১৬ পোস্টটি করেছেন:-

উপসর্গ কাকে বলে? যে অব্যয়সূচক শব্দাংশ স্বাধীনভাবে বাক্যে বসতে পারেনা বলে অন্য শব্দের আগে বসে নতুন অর্থবোধক শব্দ গঠন করে তাকে উপসর্গ বলে। বাংলা ভাষায় উপসর্গ তিন প্রকার। ১। তৎসম উপসগঃ তৎসম বা সংস্কৃত উপসর্গ মোট ২০ টি। নিচের ছড়াটির মাধ্যমে তৎসম উপসর্গ সহজেই মনে রাখা যায় । প্র পরা সম্ নি অপ অনু নির দুর বি অব অপি অধি  উৎ পরি প্রতি আ সু অভি উপ  অতি। ২। বাংলা উপসর্গঃ বাংলা  উপসর্গ মোট ২১ টি। নিচের ছড়াটির মাধ্যমে তৎসম উপসর্গ সহজেই মনে রাখা যায় । অ আ অজ অঘা আড় রাম অনা হা সু  ভর। কু স সা আন … [বিস্তারিত পড়ুন] »


: