সাধারন বিজ্ঞান পর্ব-১৩। সাধারন বিজ্ঞান বিসিএস প্রিলীমিনারী পরীক্ষার জন্য প্রস্তুতি।


পোস্ট করা হয়েছে:- জুলা ১১ ২০১৬| পোস্টটি করেছেন:- |পোস্টটি পড়া হয়েছে:- 459বার
পোস্টটি শেয়ার করুণ

বিসিএস ও অন্যান্য চাকরী পরীক্ষার জন্য সাধারন বিজ্ঞান বাধ্যতামূলক। বিসিএস প্রিলীমিনারী পরীক্ষায় ২০০ নম্বরের মধ্যে ১৫ নম্বর আসবে সাধারণ বিজ্ঞান থেকে।তাই বিসিএস প্রিলিমিনারী পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য আমরা শুরু করেছি ধারা বাহিক টিউটরিয়াল সাধারন বিজ্ঞানের উপর।  বিসিএস পরীক্ষা বা অন্যান্য পরীক্ষার জন্য নিয়মিত পড়ুন আমাদের সাধারন বিজ্ঞানের পোস্টগুলো। আজকের পর্বে ইনশাআল্লাহ জানবো সাধারন বিজ্ঞানের (জীব বিজ্ঞান, পদার্থ বিজ্ঞান, রসায়ন বিজ্ঞান, উদ্ভিদবিদ্যা ইত্যাদি) সম্পর্কে নতুন কোন তথ্য।

সাধারন বিজ্ঞান বিসিএস প্রিলীমিনারী পরীক্ষার জন্য প্রস্তুতি।

১। প্লাস্টিক প্রকৃত পক্ষে-

উত্তরঃ- নাইট্রো সেলুলোজ।

২। প্লাস্টিকে নমনীয়তা আনা হয় কিভাবে?

উত্তরঃ- তেল ও কর্পুর মিশিয়ে।

৩। পলিথিন উৎপাদন করা হয় কিভাবে?

উত্তরঃ- অশুদ্ধিমুক্ত ইথিলিন থেকে।

৪। নাইলন প্রথম প্রস্তুত হয় কত সালে?

উত্তরঃ- ১৯৩৫সালে।

৫। প্রথম নাইলনের কাপড় তৈরি হয় কত সালে?

উত্তরঃ- ১৯৩৭ সালে।

৭। রাবার এক ধরনের হাইড্রো কার্বন-

উত্তরঃ- পলিমার

৮। ফোম রাবার কোন ধরনের রাবার?

উত্তরঃ- এক ধরনের ভলকানাইজড রাবার।

৯। স্টীলে কার্বনের শতকরা হার কত?

উত্তরঃ-০.১৫-১.৫%

১০। লোহায় কার্বনের শতকরা হার কত?

উত্তরঃ- ০.১২ হতে ০.২৫ ভাগ।

১১। স্টেনলেস স্টীল এ আয়রণের হার শতকরা কত ভাগ?

উত্তরঃ- ৭৪ শতাংশ।

১২। স্টেনলেস স্টীলের বৈশিষ্ট্য কী?

উত্তরঃ- ক্ষয় প্রতিরোধক এবং মরিচা পড়েনা।

১৩। টাংষ্টেন স্টীলের বৈশিষ্ট্য কী?

উত্তরঃ- উচ্চ তাপমাত্রায় টেম্পার নষ্ট হয়না।

১৪। টাংষ্টেন স্টীলের ব্যবহার কী?

উত্তরঃ- দ্রুত কাটার যন্ত্র।

১৫। পিতলের উপাদান এর শতকরা হার কত?

উত্তরঃ- তামা ৭০-৭৫% এবং দস্তা ২৫-৩০%।

১৬। কাসার উপাদান এর শতকরা হার কত?

উত্তরঃ- তামা ৯০% এবং টিন ১০%।

১৭।অ্যালুমিনিয়াম ওজনে-

উত্তরঃ- হালকা

১৮।অ্যালুমিনিয়ামের আকরিক গুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য কোনটি?

উত্তরঃ- বক্সাইড।

১৯।অ্যালুমিনিয়ামের একটি শংকর ধাতুর নাম হচ্ছে-

উত্তরঃ- ডুরালুমিন।

২০।উড়োজাহাজ তৈরিতে কোনটি ব্যবহৃত হয়?

উত্তরঃ- অ্যালুমিনিয়ামের শংকর ধাতু ডুরালুমিন।

২১। LPG এর পূর্ণরূপ কী?

উত্তরঃ- Liquid Petroleum Gas

২২। রান্নার কাজে ব্যবহৃত সিলিন্ডারে এলপিজি রাখা হয় থাকে

উত্তরঃ- ৩ কেজি/ বর্গ সে.মি চাপে।

২৩। সিলিন্ডারে লিক হয়ে গ্যাস বেরুলে সতর্ক হবার জন্য এলপিজির সাথে যে গন্ধযুক্ত গ্যাস মিশানো থাকে সেটির নাম কী?

উত্তরঃ-মারক্যাপটন।

২৪। নিরাপদ দেয়াশলাই উদ্ভবন করেণ কে?

উত্তরঃ- সুইডিশ বিজ্ঞানী ওস্তাভ ই পাশ্চ (১৮৪৪)।

২৫। বর্তমানে কোন দেয়াশলাই ব্যবহৃত হয়?

উত্তরঃ- নিরাপদ

২৬। কাঠির মাথায় লাগানো বারুদ তৈরি হয় কী দিয়ে?

উত্তরঃ- সালফার ও পটাশিয়ামের পেস্ট দিয়ে।

২৭। কাঠির মাথার বারুদের পেস্টের সাথে কী মিশানো থাকে?

উত্তরঃ- বালি বা কাঁচের গুড়া।

২৮। সর্বপ্রথম বৈদ্যুতিক বাল্ব তৈরি করেন কে?

উত্তরঃ- টমাস আলভা এডিসন (১৮৭৮)

২৯। এডিসনের তৈরিকৃত বাতি জনপ্রিয় না হওয়ার কারণ কী?

উত্তরঃ- উচ্চমূল্যের প্লাটিনাম তারের তৈরি ছিল বলে।

৩০। বৈদ্যুতিক বাল্ব কিভাবে কাজ করে?

উত্তরঃ- তড়িৎ প্রবাহের তাপীয় ফলকে কাজে লাগিয়ে।

৩১। বৈদ্যুতিক বাল্বের ভিতরে ব্যবহৃত হয় কোন তার?

উত্তরঃ- টাংস্টেন তার।

৩২। টাংস্টেন তারের কুন্ডুলিকে কী বলে?

উত্তরঃ- ফিলামেন্ট।

৩৩। বৈদ্যুতিক বাল্বের ভিতরে কোন গ্যাস দ্বারা ভরা থাকে?

উত্তরঃ- নাইট্রোজেন এবং আরগন ।

৩৪। বৈদ্যুতিক হিটারের তার কুন্ডুলি পাকিয়ে রাখার কারণ কী?

উত্তরঃ- তাপ বেশি উৎপন্ন হয়।

৩৫। বৈদ্যুতিক ইস্ত্রীর নাইক্রোম তারের কুন্ডুলিকে অভ্রের চাদর দিয়ে ঢেকে ইস্ত্রীর লোহার আবরণের ভেতরে রাখা হয় কেন?

উত্তরঃ- বৈদ্যুতিক শক থেকে বাঁচার জন্য।

৩৬। বৈদ্যুতিক পাখা কিভাবে কাজ করে?

উত্তরঃ- বৈদ্যুতিক শক্তিকে যান্ত্রিক শক্তিতে রূপান্তর করে।

৩৭। বৈদ্যুতিক ঘন্টায় তড়িৎ চুম্বকের পরিবর্তে স্থায়ী চুম্বক ব্যবহার করা হলে কী হবে?

উত্তরঃ- ঘন্টা বাজবে না।

৩৮। সর্বপ্রথম দূরবর্তী স্থানে ছবি প্রেরণ করার কৃতিত্ব অর্জন করেন কে?

উত্তরঃ- স্কটিশ বিজ্ঞানী লজিবেয়ার্ড।

৩৯। ইলেকট্রন গান কোথায় থাকে?

উত্তরঃ- পিকচার টিউবের পিছনে।

৪০। পিকচার টিউবের একটি অংশ হচ্ছে-

উত্তরঃ- টেলিভিশনের পর্দা।

 

সম্পর্কে কোন জিজ্ঞাসা বা কোন উপদেশ কিংবা কোন সংশোধনী থাকলে তা জানাতে ভূলবেন না। পোস্টের নিচে কমেন্ট এর মাধ্যমে জানাতে পারেন আপনার কথা। সাদরে গ্রহণ করা হবে আপনার মতামত।

পোস্টটি শেয়ার করুণ

সর্বশেষ আপডেট: জুলাই ১১th, ২০১৬ সময়: ৬:১০ অপরাহ্ণ, আপডেট করেছেন মুনজুরুল আলম (এডমিন)


লেখক পরিচিতিঃ- মুনজুরুল আলম (এডমিন)

আসসালামু আলাইকুম। আমি মুনজুরুল আলম। বর্তমানে একটি সরকারি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত আছি। আমি ছোট বেলা থেকে লেখলেখি করায় মজা পাই। আমি মনে করি জানার কোন শেষ নেই। আমি সবার কাছ থেকে শিখতে পছন্দ করি। আর আমার শেখা তখনই স্বার্থক হবে যখন তা অন্যের কাছে পৌছে দিতে পারব।আর আমি চাই সবাইকে আমার ওয়েবসাইটে মেধা বিকাশের সুগোয দিতে। তাই আপনিও পারেন আমাদের ওয়েব সাইটের একজন লেখক হতে। তাহলে আজই রেজিস্ট্রেশন করুন ।


Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Time limit is exhausted. Please reload CAPTCHA.