সহীহ বুখারী, ১ম খন্ড,৬ষ্ঠ অধ্যায়, বিষয়-হায়য বা মাসিক ।


পোস্ট করা হয়েছে:- এপ্রি ১৮ ২০১৬| পোস্টটি করেছেন:- |পোস্টটি পড়া হয়েছে:- 210বার
পোস্টটি শেয়ার করুণ

হাদীস নং-২৯০। আলী ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রহঃ)…… আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ আমরা হাজ্জের (হজ্জ) উদ্দেশ্যেই (মদিনা থেকে) বের হলাম। ‘সারিফ’ নামক স্থানে পৌঁছার পর আমার হায়য আসলো। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এসে আমাকে কাঁদতে দেখলেন; এবং বললেনঃ কি হল তোমার? তোমার হায়য এসেছে? আমি বললাম, হাঁ। তিনি বললেনঃ এ তো আল্লাহ্ তা’আলাই আদম-কন্যাদের জন্য নির্ধারণ করে দিয়েছেন। সুতরাং তুমি বায়তুল্লাহর তাওয়াফ ছাড়া হাজ্জের (হজ্জ) বাকী সব কাজ করে যাও। ‘আয়িশা (রাঃ) বলেনঃ রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর স্ত্রীগণের পক্ষ থেকে গাভী কুরবানী করলেন।

হাদীস নং-২৯১। আবদুল্লাহ ইবনু ইউসুফ (রহঃ)…….. ‘আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ আমি হায়য অবস্থায় রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর মাথা আঁচড়িয়ে দিতাম।

হাদীস নং-২৯২। ইব্রাহীম ইবনু মূসা (রহঃ)……. উরওয়া (রহঃ) থেকে বর্ণিত, তাঁকে (উরওয়াকে) প্রশ্ন করা হয়েছিল যে, ঋতুবতী স্ত্রী কি স্বামীর খিদমত করতে পারে? অথবা গোসল ফরয হওয়া অবস্থায় কি স্ত্রী স্বামীর নিকটবর্তী হতে পারে? উরওয়া জওয়াব দিলেন, এ সবই আমার কাছে সহজ। এ ধরনের সকল মহিলাই স্বামীর খিদমত করতে পারে। এ ব্যাপারে কারো অসুবিধা থাকার কথা নয়। আমাকে আয়িশা (রাঃ) বলেছেন যে, তিনি হায়যের অবস্থায় ররাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর চুল আঁচড়ে দিতেন। আর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইতিকাফ অবস্থায় মসজিদ থেকে তাঁর (আয়িশার) হুজরার দিকে তাঁর কাছে মাথাটা বাড়িয়ে দিতেন। তখন তিনি মাথার চুল আঁচড়াতেন অথচ তিনি ছিলেন ঋতুবতী।

হাদীস নং-২৯৩। আবূ নু’আয়ম (রহঃ)…… আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমার কোলে হেলান দিয়ে কুরআন তিলাওয়াত করতেন। আর তখন আমি হায়যের অবস্থায় ছিলাম।

হাদীস নং-২৯৪। মক্কী ইবনু ইব্রাহীম (রহঃ)…… উম্মে সালামা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ আমি রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সঙ্গে একই চাঁদরের নীচে শুয়ে ছিলাম। হঠাৎ আমার হায়য দেখা দিলে আমি চুপি চুপি বেরিয়ে গিয়ে হায়যের কাপড় পরে নিলাম। তিনি বললেনঃ তোমার কি নিফাস দেখা দিয়েছে? আমি বললাম, ‘হ্যাঁ’। তখন তিনি আমাকে ডাকলেন। আমি তাঁর সঙ্গে চাঁদরের ভিতর শুয়ে পড়লাম।

হাদীস নং-২৯৫। কাবীসা (রহঃ)……… আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ আমি ও রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম জানবাত অবস্থায় একই পাত্র থেকে পানি নিয়ে গোসল করতাম এবং তিনি আমাকে নির্দেশ দিলে আমি ইযার পরে নিতাম, আর আমার হায়য অবস্থায় তিনি আমার সাথে মিশামিশি করে শুইতেন। তাছাড়া তিনি ই’তিকাফ অবস্থায় মাথা বের করে দিতেন, আর আমি হায়য অবস্থায় মাথা ধুয়ে দিতাম।

হাদীস নং-২৯৬। ইসমা’ঈল ইবনু খলীল (রহঃ)….. আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ আমাদের কেউ হায়য অবস্থায় থাকলে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর সাথে মিশামিশি করতে চাইলে তাকে হায়যের ইযার পরার নির্দেশ দিতেন। তারপর তার সাথে মিশামিশি করতেন। তিনি [আয়িশা (রাঃ)] বলেনঃ তোমাদের মধ্যে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর মত কাম-প্রবৃত্তি দমন করার শক্তি রাখে কে? খালিদ ও জারীর (রহঃ) আশ-শায়বানী (রহঃ) থেকে এই হাদীসের অনুরূপ বর্ণনা করেছেন।

হাদীস নং-২৯৭। আবূ নু’মান (রহঃ)…… মায়মূনা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর কোন স্ত্রীর সাথে হায়য অবস্থায় মিশামিশি করতে চাইলে তাকে ইযার পরতে বলতেন। শায়বানী (রহঃ) থেকে সুফিয়ান (রহঃ) এ বর্ণনা করেছেন।

হাদীস নং-২৯৮। সা’ঈদ ইবনু আবূ মারয়াম (রহঃ) আবূ সা’ঈদ খুদরী (রাঃ) থেকে বর্ণিত, একবার ঈদুল আযহা বা ঈদুল ফিতরের সালাত (নামায/নামাজ) আদায়ের জন্য রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ঈদগাহের দিকে যাচ্ছিলেন। তিনি মহিলাদের পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় বললেনঃ হে মহিলা সমাজ! তোমরা সা’দকা করতে থাক। কারন আমি দেখেছি জাহান্নামের অধিবাসীদের মধ্যে তোমরাই অধিক। তাঁরা আরয করলেনঃ কী কারনে, ইয়া রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম? তিনি বললেনঃ তোমরা অধিক পরিমাণে অভিশাপ দিয়ে থাক আর স্বামীর না-শোকরী করে থাক। বুদ্ধি ও দ্বীনের ব্যাপারে ত্রুটি থাকা সত্ত্বেও একজন সদাসতর্ক ব্যাক্তির বুদ্ধি হরণে তোমাদের চাইতে পারদর্শী আমি আর কাউকে দেখিনি। তাঁরা বললেনঃ আমাদের দ্বীন ও বুদ্ধির ত্রুটি কোথায়, ইয়া রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম! একজন মহিলার সাক্ষ্য কি একজন পুরুষের সাক্ষের অর্ধেক নয়? তাঁরা উত্তর দিলেন, ‘হ্যাঁ’। তখন তিনি বললেনঃ এ হচ্ছে তাদের বুদ্ধির ত্রুটি। আর হায়য অবস্থায় তারা কি সালাত (নামায/নামাজ) ও সিয়াম থেকে বিরত থাকে না? তাঁরা বললেন, ‘হাঁ’। তিনি বললেনঃ এ হচ্ছে তাদের দ্বীনের ত্রুটি।

হাদীস নং-২৯৯। আবূ নু’আয়ম (রহঃ)….. আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ আমরা রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সঙ্গে হাজ্জের (হজ্জ) উদ্দেশ্যে বেরিয়েছিলাম। আমরা সারিফ নামক স্থানে পৌঁছলে আমি ঋতুবতী হই। এ সময় রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এসে আমাকে কাঁদতে দেখলেন এবং জিজ্ঞাসা করলেনঃ তুমি কাঁদছ কেন? আমি বললামঃ আল্লাহর শপথ! এ বছর হাজ্জ (হজ্জ) না করাই আমার জন্য পছন্দনীয়। তিনি বললেনঃ সম্ভবত তুমি ঋতুবতী হয়েছ। আমি বললাম, ‘হ্যাঁ’। তিনি বললেনঃ এ তো আদম কন্যাদের জন্য আল্লাহ্ নির্ধারিত করেছেন। তুমি পাক হওয়া পর্যন্ত অন্যান্য হাজীদের মত সমস্ত কাজ করে যাও, কেবল কাবার তাওয়াফ করবে না।

হাদীস নং-৩০০। আবদুল্লাহ ইবনু ইউসুফ (রহঃ)….. আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ ফাতিমা বিনত আবূ হূবায়শ (রাঃ) রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম –কে জিজ্ঞাসা করলেনঃ ইয়া রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ! আমি কখনও পবিত্র হই না। এমতাবস্থাই আমি কি সালাত (নামায/নামাজ) ছেড়ে দেব? রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ এ হল এক ধরনের বিশেষ রক্ত, হায়যের রক্ত নয়। যখন তোমার হায়য শুরু হয় তখন তুমি সালাত (নামায/নামাজ) ছেড়ে দাও। আর হায়য শেষ হলে রক্ত ধুয়ে সালাত (নামায/নামাজ) আদায় কর।

হাদীস নং-৩০১। আবদুল্লাহ ইবনু ইউসুফ (রহঃ)…… আসমা বিনতে আবূ বকর সিদ্দীক (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ এক মহিলা রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম –কে জিজ্ঞাসা করলেনঃ ইয়া রাসুলাল্লাহ ! আমাদের কারো কাপড়ে হায়যের রক্ত লাগলে কি করবে? রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ তোমাদের কারো কাপড়ে হায়যের রক্ত লাগলে সে তা রগড়িয়ে, তারপর পানিতে ধুয়ে নেবে এবং সে কাপড়ে সালাত (নামায/নামাজ) আদায় করবে।

হাদীস নং-৩০২। আসবাগ (রহঃ)…… ’আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ আমাদের কারো হায়য হলে, পাক হওয়ার পর রক্ত রগড়িয়ে কাপড় পানি দিয়ে ধুয়ে সেই কাপড়ে তিনি সালাত (নামায/নামাজ) আদায় করতেন।

হাদীস নং-৩০৩। ইসহাক ইবনু শাহীন (রহঃ)…… আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সঙ্গে তার ইস্তিহাযার অবস্থায় ই’তিকাফ করেন। তিনি রক্ত দেখতেন এবং স্রাবের কারনে প্রায়ই তার নীচে একটি পাত্র রাখতেন। রাবী বলেনঃ ‘আয়িশা (রাঃ) হলুদ রঙের পানি দেখে বলেছেন, এ যেন রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম –এর অমুক স্ত্রীর ইস্তিহাযার রক্ত।

হাদীস নং-৩০৪। কুতায়বা (রহঃ)…… আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম –এর সঙ্গে তার কোন একজন স্ত্রী ই’তিকাফ করেছিলেন। তিনি রক্ত ও হলদে পানি বের হতে দেখতেন আর তাঁর নীচে একটা পাত্র বসিয়ে রাখতেন এবং সে অবস্থায় সালাত (নামায/নামাজ) আদায় করতেন।

হাদীস নং-৩০৫। মূসা’দ্দাত (রহঃ)…… আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, উম্মু’ল-মু, মিনীদের একজন ইস্তিহাযা অবস্থায় ই, তিকাফ করেছিলেন।

হাদীস নং-৩০৬। আবূ নূ’আয়ম (রহঃ)…… আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ আমাদের কারো একটির বেশি কাপড় ছিল না। তিনি হায়য অবস্থায়ও এই কাপড়খানই ব্যাবহার করতেন, তাতে রক্ত থুথু দিয়ে ভিজিয়ে নখ দ্বারা রগড়িয়ে নিতেন।

হাদীস নং-৩০৭। আবদুল্লাহ ইবনু ‘আবদুল ওইয়াহহাব (রহঃ)……… উম্মে ‘আতিয়া (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ কোন মৃত ব্যাক্তির জন্য আমাদের তিন দিনের বেশী শোক পালন করা থেকে নিষেধ করা হত। কিন্তু স্বামীর ক্ষেত্রে চার মাস দশ দিন (শোক পালনের অনুমতি ছিল)। আমরা তখন সুরমা লাগাতাম না, সুগন্ধি ব্যাবহার করতাম না, ইয়েমেনের তৈরি রঙ্গিন কাপড় ছাড়া অন্য কোন রঙ্গিন কাপড় পরতাম না। তবে হায়য থেকে পবিত্রতার গোসলে আজফারের খোশবু মিশ্রিত বস্ত্রখন্ড ব্যাবহারের অনুমতি ছিল। আর আমাদের জানাযার পেছনে যাওয়া নিষিদ্ধ ছিল। এই বর্ণনা হিশাম ইবনু হাসসান (রহঃ) হাফসা (রাঃ) থেকে, তিনি উম্মে ‘আতিয়্যা (রাঃ) থেকে এবং তিনি নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বিবৃত করেছেন।

হাদীস নং-৩০৮। ইয়াহইয়া (রহঃ)…… আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, এক মহিলা রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম –কে হায়যের গোসল সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলেন। তিনি তাকে গোসলের নিয়ম বলে দিলেন যে, এক টুকরা কস্তুরি লাগানো নেকড়া নিয়ে পবিত্রতা হাসিল কর। মহিলা বললেনঃ কিভাবে? রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ তা দিয়ে পবিত্রতা হাসিল কর। মহিলা (তৃতীয়বার) বললেন; কিভাবে? রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ সুবানহানাল্লাহ ! তা দিয়ে পবিত্রতা হাসিল কর। ‘আয়িশা (রাঃ) বলেনঃ তখন আমি তাকে টেনে আমার কাছে নিয়ে আসলাম এবং বললামঃ তা দিয়ে রক্তের চিহ্ন বিশেষভাবে মুছে ফেল।

হাদীস নং-৩০৯। মুসলিম (রহঃ)…… আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত যে, একজন আনসারী মহিলা রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে জিজ্ঞাসা করলেনঃ আমি কিভাবে হায়যের গোসল করবো? রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ এক টুকরা কস্তুরিযুক্ত নেকড়া লও এবং তিনবার ধুয়ে নাও। নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এরপর লজ্জাবশত অন্যদিকে মুখ ফিরিয়ে নিলেন এবং বললেনঃ তা দিয়ে তুমি পবিত্র হও। ‘আয়িশা (রাঃ) বলেনঃ আমি তাকে নিজের দিকে টেনে নিলাম। তারপর তাকে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম –এর কথার মর্ম বুঝিয়ে দিলাম।

হাদীস নং-৩১০। মূসা ইবনু ঈসমাঈল (রহঃ)……… আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ আমি রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সঙ্গে বিদায় হাজ্জের (হজ্জ) ইহরাম বেঁধেছিলাম। আমিও তাদেরই একজন ছিলাম যারা তামাত্তু’র (একই সফরে হাজ্জ (হজ্জ) ও উমরা করা) নিয়্যত করেছিল এবং কুরবানীর পশু নেয়নি। তিনি বলেনঃ তাঁর হায়ায শুরু হয় আর আরফা-এর রাত পর্যন্ত তিনি পাক হন নি। আয়শা (রাঃ) বলেনঃ আমি বললাম, ইয়া রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ! আজ তো আরাফার রাত, আর আমি হাজ্জের (হজ্জ) সঙ্গে উমরারও নিয়্যত করেছি। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে বললেনঃ মাথার বেণী খুলে ফেল, চুল আঁচরাও আর উমরা থেকে বিরত থাক। আমি তা-ই করলাম। হাজ্জ (হজ্জ) সমাধা করার পর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ‘আবদুর রহমান (রাঃ)- কে ‘হাসবায়’ অবস্থানের রাতে (আমাকে উমরা করানোর) নির্দেশ দিলেন। তিনি তান’ঈম থেকে আমাকে উমরা করালেন, যেখান থেকে আমি উমরার ইহরাম বেঁধেছিলাম।

হাদীস নং-৩১১। উবায়দ ইবনু ইসমাঈল (রহঃ)…… আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ আমরা যিলহাজ্জ মাসের চাঁদ দেখার সময় নিকটবর্তী হলে বেরিয়ে পড়লাম। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ যে উমরার ইহরাম বাঁধতে চায় সে তা করতে পারে। কারণ, আমি সাথে কুরবানীর পশু না আনলে উমরার ইহরামই বাঁধতাম। তারপর কেউ উমরার ইহরাম বাঁধলেন, আর কেউ হাজ্জের (হজ্জ) ইহরাম বাঁধলেন। আমি ছিলাম উমরার ইহরামকারীদের মধ্যে। আরাফার দিনে আমি ঋতুবতী ছিলাম। আমি নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম –এর কাছে আমার অসুবিধার কথা বললাম। তিনি বললেনঃ তোমার উমরা ছেড়ে দাও, মাথার বেণী খুলে চুল আঁচড়াও, আর হাজ্জের (হজ্জ) ইহরাম বাঁধ। আমি তাই করলাম। ‘হাসবা’ নামক স্থানে অবস্থানের রাতে নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমার সাথে আমার ভাই আবদুর রহমান ইবনু আবূ বকর (রাঃ)- কে পাঠালেন। আমি তান’ঈমের দিকে বের হলাম। সেখানে পূর্বের উমরার পরিবর্তে ইহরাম বাঁধলাম। হিশাম (রহঃ) বলেনঃ এসব কারণে কোন দম (কুরবানী) সাওম (রোযা/রোজা/সিয়াম/ছিয়াম) বা সা’দকা দিতে হয় নি।

হাদীস নং-৩১২। মূসা’দ্দাত (রহঃ)…… আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ আল্লাহ তা’আলা মাতৃগর্ভের জন্য একজন ফিরিশতা নির্ধারণ করেছেন। তিনি (পর্যায়ক্রমে) বলতে থাকেন, হে রব ! এখন বীর্য-আকৃতিতে আছে। হে রব ! এখন জমাট রক্তে পরিণত হয়েছে। হে রব ! এখন গোশতপিণ্ডে পরিণত হয়েছে। এরপর আল্লাহ তা’আলা যখন সৃষ্টি পূর্ণ করতে চান, তখন জিজ্ঞাসা করেনঃ পুরুষ, না স্ত্রী? সৌভাগ্যবান, না দুর্ভাগা রিযক ও বয়স কত? রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তার মাতৃগর্ভে থাকতেই তা লিখে দেওয়া হয়।

হাদীস নং-৩১৩। ইয়াহইয়া ইবনু বুকাইর (রহঃ)……… আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ আমরা রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম –এর সঙ্গে বিদায় হাজ্জের (হজ্জ) সময় বের হয়েছিলাম। আমাদের কেউ ইররাম বেঁধেছিল উমরার আর কেউ ইহরাম বেঁধেছিল হাজ্জের (হজ্জ)। আমরা মক্কায় এসে পৌঁছালে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ যারা উমরার ইহরাম বেঁধেছে কিন্তু কুরবানীর পশু সাথে আনেনি, তারা যেন ইহরাম খুলে ফেলে। আর যারা উমরার ইহরাম বেঁধেছে ও কুরবানীর পশু সাথে এনেছে, তারা যেন কুরবানী করা পর্যন্ত ইহরাম না খোলে। আর যারা হাজ্জের (হজ্জ) ইহরাম বেঁধেছে, তারা যেন হাজ্জ (হজ্জ) পূর্ণ করে। ‘আয়িশা (রাঃ) বলেনঃ এরপর আমার হায়য শুরু হয় এবং আরাফার দিনেও তা বহাল থাকে। আমি শুধু উমরার ইহরাম বেঁধেছিলাম। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে মাথার বেণী খোলার চুল আঁচড়িয়ে নেওয়ার এবং উমরার ইহরাম ছেড়ে হাজ্জের (হজ্জ) ইহরাম বাঁধার নির্দেশ দিলেন। আমি তাই করলাম। পরে হাজ্জ (হজ্জ) সমাধা করলাম। এরপর ‘আবদুর রহমান ইবনু আবূ বকর (রাঃ) –কে আমার সাথে পাঠালেন। তিনি আমকে তান’ঈম থেকে আমার আগের পরিত্যক্ত উমরার পরিবর্তে উমরা করতে নির্দেশ দিলেন।

হাদীস নং-৩১৪। আবদুল্লাহ ইবনু মুহাম্মদ (রহঃ)…… আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ ফাতিমা বিনতে আবূ হূরাইশ (রাঃ)-এর ইস্তিহাযা হতো। তিনি এ বিষয়ে নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম –কে জিজ্ঞাসা করলেন। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ এ হচ্ছে রগের রক্ত, হায়যের রক্ত নয়। সুতরাং হায়য শুরু হলে সালাত (নামায/নামাজ) ছেড়ে দেবে। আর হায়য শেষ হলে গোসল করে সালাত (নামায/নামাজ) আদায় করবে।

হাদীস নং-৩১৫।মূসা ইবনু ইসমা’ঈল (রহঃ)…… মু’আযা (রহঃ) থেকে বর্ণিত, এক মহিলা আয়িশা (রাঃ)–কে বললেনঃ আমাদের জন্য হায়যকালীন কাযা সালাত (নামায/নামাজ) পবিত্র হওয়ার পর আদায় করলে চলবে কি না? ‘আয়িশা (রাঃ) বললেনঃ তুমি কি হারুরইয়্যা? (খারেজীদের একটি দল ঋতুবতীর জন্য সালাত (নামায/নামাজ)-এর ক্বাযা ওয়াজিব মনে করত) আমরা রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সময়ে ঋতুবতী হতাম কিন্তু আমাদের সালাত (নামায/নামাজ) কাযার নির্দেশ দিতেন না। অথবা তিনি [‘আয়িশা (রাঃ)] বলেনঃ আমরা তা কাযা করতাম না।

হাদীস নং-৩১৬। সা’দ ইবনু হাফস (রহঃ)…… উম্মে সালমা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সঙ্গে একই চাঁদরের নীচে শায়িত অবস্থায় আমার হায়য দেখা দিল। তখন আমি চুপিসারে বেরিয়ে এসে হায়যের কাপড় পরে নিলাম। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে বললেনঃ তোমার কি হায়য শুরু হয়েছে ? আমি বললামঃ হাঁ। তখন তিনি আমকে ডেকে নিয়ে তাঁর চাঁদরের নিচে স্থান দিলেন। বর্ণনাকারী যায়নাব (রহঃ) বলেনঃ আমাকে উম্মে সালমা (রাঃ) এও বলেছেন যে, নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রোযা রাখা অবস্থায় তাকে চুমু খেতেন। [উম্মে সালমা (রাঃ) আরও বলেন] আমি ও রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একই পাত্র থেকে পানি নিয়ে জানবাতের গোসল করতাম।

হাদীস নং-৩১৭। মু’আয ইবনু ফাযাল (রহঃ)…… উম্মে সালমা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ এক সময় আমি ও রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একই চাঁদরের নীচে শুয়েছিলাম। আমার হায়য শুরু হল। তখন আমি চুপিসারে বেরিয়ে এসে হায়যের কাপড় পরে নিলাম। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে বললেনঃ তোমার কি হায়য আরম্ভ হয়েছে? আমি বললামঃ হ্যাঁ। তিনি আমকে ডেকে নিলেন এবং আমি তাঁর সঙ্গে একই চাঁদরের নীচে শুয়ে পড়লাম।

হাদীস নং-৩১৮। মুহাম্মদ ইবনু সালামা (রহঃ)…… হাফসা (রহঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ আমরা আমাদের যুবতীদের ঈদের সালাতে (নামাযে) বের হতে নিষেদ করতাম। এক মহিলা বনূ খালাফের মহলে এসে পৌঁছালেন এবং তিনি তাঁর বন থেকে বর্ণনা করলেন। তাঁর ভগ্নীপতি রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সঙ্গে বাড়টি গাযওয়ায় অংশ গ্রহন করেছিলেন। তিনি বলেনঃ আমার বোনও তাঁর ছইটি গাযওয়ায় শরীক ছিল। সেই বোন বলেনঃ আমাদের কারো ওড়না না থাকার কারণে বের না হলে কোন অসুবিধা আছে কি? রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ তাঁর সাথীর ওড়না তাকে পরিয়ে দেবে, যাতে সে ভালো মজলিস ও মুমিনদের শরীক হতে পারে। যখন উম্মে আতিয়্যা (রাঃ) আসলেন, আমি তাকে জিজ্ঞাসা করলামঃ আপনি কি রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে এরুপ শুনেছেন? উত্তরে তিনি বললেঃ আমার পিতা তাঁর জন্য কুরবান হোক। হ্যাঁ, তিনি এরুপ বলেছিলেন। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কথা আলোচিত হলেই তিনি বলতেন। “আমার পিতা তাঁর জন্য কুরবান হোক” আমি রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম –কে বলতে শুনেছি যে। যুবতী, ঋতুবতী মহিলা ঈদগাহ থেকে দূরে থাকবে। হাফসা (রহঃ) বলেনঃ আমি জিজ্ঞাসা করলামঃ ঋতুবতীও কি বেরুবে? তিনি বলেনঃ সে কি ‘আরাফাতের ও অমুক অমুক স্থানে উপস্থিত হবে না?

হাদীস নং-৩১৯। আহমদ ইবনু আবূ রাজা’ (রহঃ)…… ’আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ ফাতিমা বিনত আবূ হুবায়শ (রাঃ) রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম –কে জিজ্ঞাসা করলেন, আমার ইস্তিহাযা হয়েছে এবং পবিত্র হচ্ছি না। আমি কি সালাত (নামায/নামাজ) ছেড়ে দেব? রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ না, এ হল রগ-নির্গত রক্ত। তবে এরুপ হওয়ার আগে যতদিন হায়য হতো সে কয়দিন সালাত (নামায/নামাজ) অবশ্যই ছেড়ে দাও। তারপর গোসল করে নিবে ও সালাত (নামায/নামাজ) আদায় করবে।

হাদীস নং-৩২০। কুতাইবা ইবনু সা’ঈদ (রহঃ)…… উম্মে ‘আতিয়্যা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ আমরা মেটে ও হলুদ রং হায়যের মধ্যে গন্য করতাম না।

হাদীস নং-৩২১। ইবরাহীম ইবনু মুনযির আল-হিযামী (রহঃ)……… নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর পত্নী ‘আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ উম্মে হাবীবা (রাঃ) সাত বছর পর্যন্ত ইস্তিহাযাগ্রস্থা ছিলেন। তিনি এ ব্যাপারে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম –কে জিজ্ঞাসা করলেন। তিনি তাঁকে গোসলের নির্দেশ দিলেন এবং বললেন : এ শিরা-নির্গত রক্ত। এরপর উম্মে হাবীবা (রাঃ) প্রতি সালাত (নামায/নামাজ)-এর জন্য গোসল করতেন।

হাদীস নং-৩২২। আবদুল্লাহ ইবনু ইউসুফ (রহঃ)……… রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম –এর পত্নী ‘আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম –কে জিজ্ঞাসা করলেনঃ ইয়া রাসুলাল্লাহ ! সাফিয়্যা বিনত হুযাইয়ের হায়য শুরু হয়েছে। তিনি বললেনঃ সে তো তোমাদেরকে আটকিয়ে রাখবে। সে কি তোমাদের সঙ্গে তাওয়াফে-যিয়ারত করেনি? তাঁর জবাব দিলেন, হাঁ করেছেন। তিনি বললেনঃ তা হলে বের হও।

হাদীস নং-৩২৩। মুআল্লা ইবনু আসা’দ (রহঃ)…… আবদুল্লাহ ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ (তাওয়াফে যিয়ারতের পর) মহিলার হায়য হলে তার চলে যাওয়ার অনুমতি রয়েছে। এর আগে . ইবনু ‘উমর (রাঃ) বলতেনঃ সে যেতে পারবে না। তারপর তাঁকে বলতে শুনেছি যে, সে যেতে পারে। কারণ, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাদের জন্য (যাওয়ার) অনুমতি দিয়েছেন।

হাদীস নং-৩২৪। আহমদ ইবনু ইউনুস (রহঃ)…… আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ হায়য দেখা দিলে সালাত (নামায/নামাজ) ছেড়ে দাও আর হায়যের সময় শেষ হয়ে গেলে রক্ত ধুয়ে নাও এবং সালাত (নামায/নামাজ) আদায় কর।

হাদীস নং-৩২৫। আহমদ ইবনু সুরায়জ (রহঃ)……… সামুরা ইবনু জুনদুব (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ একজন প্রসূতি মহিলা মারা গেলে নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর জানাযা পড়লেন। সালাত (নামায/নামাজ) তিনি মহিলার দেহের মাঝ বরাবর দাঁড়িয়েছিলেন।

হাদীস নং-৩২৬। হাসান ইবনু মুদরিক (রহঃ)…… আবদুল্লাহ ইবনু শাদ্দাত (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ আমি আমার খালা নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম –এর পত্নী মায়মূনা (রাঃ) থেকে শুনেছি যে, তিনি হায়য অবস্থায় সালাত (নামায/নামাজ) আদায় করতেন না; তখন তিনি রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সিজদার যায়গায় সোজাসুজি শুয়ে থাকতেন। নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর চাটাইয়ে সালাত (নামায/নামাজ) আদায় করতেন। সিজদা করার সময় তাঁর কাপড়ের অংশ আমার (মায়মূনার) গায়ে লাগতো।

 

পোস্টটি শেয়ার করুণ

সর্বশেষ আপডেট: এপ্রিল ১৮th, ২০১৬ সময়: ৩:৩৯ পূর্বাহ্ণ, আপডেট করেছেন মুনজুরুল আলম (এডমিন)


লেখক পরিচিতিঃ- মুনজুরুল আলম (এডমিন)

আসসালামু আলাইকুম। আমি মুনজুরুল আলম। বর্তমানে একটি সরকারি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত আছি। আমি ছোট বেলা থেকে লেখলেখি করায় মজা পাই। আমি মনে করি জানার কোন শেষ নেই। আমি সবার কাছ থেকে শিখতে পছন্দ করি। আর আমার শেখা তখনই স্বার্থক হবে যখন তা অন্যের কাছে পৌছে দিতে পারব।আর আমি চাই সবাইকে আমার ওয়েবসাইটে মেধা বিকাশের সুগোয দিতে। তাই আপনিও পারেন আমাদের ওয়েব সাইটের একজন লেখক হতে। তাহলে আজই রেজিস্ট্রেশন করুন ।


Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Time limit is exhausted. Please reload CAPTCHA.