ThePeakPlace

Bangla Technology Center

সহীহ বুখারী, ৪র্থ খন্ড, অধ্যায়-২৮, বিষয়:-সুফআ ।

পোস্টটি শেয়ার করুণ

হাদীস নং-২১১৪। মূসা’দ্দাদ (রহঃ) . জাবির ইবনু আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিত, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যে সব সম্পত্তি ভাগ-বাটোয়ারা হয়নি, তাতে শুফআ এর ফায়সালা দিয়েছেন। যখন সীমানা নির্ধারিত হয়ে যায় এবং রাস্তাও পৃথক হয়ে যায়, তখন শুফআ এর অধিকার থাকেনা। ১) বাড়ী, জমি ইত্যাদি এজমালী সম্পত্তি হতে কেউ নিজের অংশ বিক্রি করলে অপর শরীকের অথবা বাড়ী বা জমির সংলগ্ন থাকার কারনে প্রতিবেশীর উক্ত বিক্রয় মূল্যে খরিদ করার যে অগ্রাধিকার শরীয়াত প্রদান করেছে, তাকে শুফআ বলে।

হাদীস নং-২১১৫। মাক্কী ইবনু ইবরাহীম (রহঃ) . আমর ইবনু শারীদ (রহঃ) থেকে বর্নিত, আমি . সা’দ ইবনু আবূ ওয়াক্কাস (রাঃ) এর কাছে দাঁড়িয়ে ছিলাম, তখন মিসওয়ার ইবনু মাখরামা (রাঃ) এসে তাঁর হাত আমার কাঁধে রাখেন। এমতাবস্থায় রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর আযাদকৃত গোলাম আবূ রাফি (রাঃ) এসে বললেন, হে সা’দ! আপনার বাড়ীতে আমার যে দুটি ঘর আছে, তা আপনি আমার থেকে খরিদ করে নিন। সা’দ (রাঃ) বললেন, মহান আল্লাহ্ তা’আলার কসম, আমি সে দুটি ঘর খরিদ করবোনা। তখন মিসওয়ার (রাঃ) বললেন, মহান আল্লাহ্ তা’আলার কসম, আপনি এ দুটো অবশ্যই খরিদ করবেন। সা’দ (রাঃ) বললেন, মহান আল্লাহ্ তা’আলার কসম, আমি তোমাকে কিস্তিতে চার হাজার (দিরহাম) এর অধিক দিবনা। আবূ রাফি (রাঃ) বললেন, এই ঘর দুটির বিনিময়ে আমাকে পাঁচশ দ্বীনার দেওয়ার প্রস্তাব এসেছে। আমি যদি রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -কে এ কথা বলতে না শুনতাম যে, প্রতিবেশী অধিক হকদার তার নৈকট্যের কারনে, তাহলে আমি এ দুটি ঘর আপনাকে চার হাজার (দিরহাম) এর বিনিময়ে কিছুতেই দিতামনা। আমাকে এ দুটি ঘরের বিনিময়ে পাঁচশ দ্বীনার দেওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল। তারপর তিনি তা তাঁকে (সা’দ’ কে) দিয়ে দিলেন।

হাদীস নং-২১১৬।. হাজ্জাজ ও আলী (রহঃ) উম্মুল মুমিনীন . আয়িশা ছিদ্দিকা (রাঃ) থেকে বর্নিত, আমি বললাম, ইয়া রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম , আমার দুজন প্রতিবেশী রয়েছে, তাদের মধ্যে কাকে আমি হাদীয়া দিব? তিনি বললেন, উভয়ের মধ্যে যার দরজা তোমার বেশী কাছে।

 

পোস্টটি শেয়ার করুণ

Leave a Reply

ThePeakPlace © 2018 Frontier Theme