বিশ্বের বিখ্যাত সীমান্তরেখা সমূহ।


পোস্ট করা হয়েছে:- জানু ২১ ২০১৭| পোস্টটি করেছেন:- |পোস্টটি পড়া হয়েছে:- 1100বার
পোস্টটি শেয়ার করুণ

বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ইতিহাস,ঐতিহ্য,যুদ্ধ কিংবা সংস্কৃতির উপর ভিত্তি করে বিভিন্ন রেখা বা সীমারেখা অংকন করা হয়েছে যা সারা বিশ্বের কাছে অতি গুরুত্বপূর্ণ সীমান্তরেখা নামে পরিচিত। বিসিএস বা চাকরীর প্রস্তুতির আজকের পর্বে জানার চেষ্টা করবো- বিখ্যাত ভৈাগলিক সীমান্ত রেখা সম্পর্কে।

র‌্যাডক্লিফ লাইনঃ- বাংলাদেশ এবং ভারতকে বিভক্তকারী সীমান্তরেখা হচ্ছে র‌্যাডক্লিফ লাইন। এই র‌্যাডিক্লিফ লাইন ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যকার সীমান্তরেখা। ১৯৪৭ সালে এই সীমানা রেখা চিহ্নিত করা হয়।

লাইন অব কন্ট্রোলঃ- ভারত ও পাকিস্তানের সীমান্তবর্তী রেখা হচ্ছে লাইন অব কন্ট্রোল।

ডুরাল্ড লাইনঃ- পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের সীমানা চিহ্নিত রেখা হচ্ছে ডুরাল্ড লাইন।

ম্যাকমোহন লাইনঃ- ভারত ও চীনের সীমানা চিহ্নিত রেখা।

ওডেরসিন লাইনঃ- জার্মানী ও পোলান্ডের মধ্যকার সীমান্তরেখা।

১৭তম অক্ষরেখাঃ- সাবেক উত্তর ও দক্ষিণ ভিয়েতনামের মধ্যে চিহ্নিত সীমারেখা।

২৪ তম অক্ষরেখাঃ- পাকিস্তানের মতে এই অক্ষরেখাকে ভারত ও পাকিস্তানের সীমারেখা  ধরে ভারত ও পাকিস্তানের সমস্যা সমাধান করা উচিত। তবে ভারত এই দাবি প্রত্যাখান করেছে।

৩২তম অক্ষরেখাঃ-  ইরাকের দক্ষিণে নো ফ্লাই জোন।

৩৬তম অক্ষরেখাঃ- ইরাকের উত্তরে নো ফ্লাই জোন।

৩৮ তম অক্ষরেখাঃ- উত্তর ও দক্ষিণ কোরিয়ার মধ্যে সীমানা নিরুপণকারী রেখা।

৪৯ তম অক্ষরেখাঃ- যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডার মধ্যে সীমান্ত চিহ্নিত রেখা।

বারলেভ লাইনঃ- ইসরাইলে অবস্থিত সুরক্ষিত প্রতিরক্ষা ব্যূহ।

সনোরা লাইনঃ- যুক্তরাষ্ট্র ও মেকসিকোর মধ্যে বিভক্তকারী সীমারেখা।

ব্লুলাইনঃ- লেবানন ও ইসরাইলের মধ্যে সীমানা নির্ধারণকারী রেখা।

ম্যাজিনো লাইনঃ- জার্মান আক্রমন হতে রক্ষা পাওয়ার জন্য ফ্রান্স কর্তৃক জার্মান ফ্রান্স সীমান্তে নির্মিত সুরক্ষিত সীমারেখা।

জিগফ্রিড লাইনঃ- জার্মানি কর্তৃক জার্মানি ফ্রান্স সীমান্তে নির্মিত সুরক্ষিত সীমারেখা।

হিন্ডারবার্গ লাইনঃ- জার্মানি ও পোলান্ডের মধ্যে সীমানা চিহ্নিত রেখা।

প্লিমসল লাইনঃ- অতিরিক্ত মাল বোঝাই এড়োনোর জন্য জাহাজের গায়ে চিহ্নিত রেখা।

হটলাইনঃ- আকস্মিক যুদ্ধ এড়ানোর জন্য যুক্তরাষ্ট্রের হোয়াইট হাউজ ও রাশিয়ার ক্রেমলিনের মধ্যে সরাসরি টেলিফোন সংযোগ।

পার্পল লাইনঃ– ইসরাইল ও সিরিয়ার মধ্যে সীমানা নির্ধারণকারী সীমারেখা।

লাইন অব ডিমারকেশনঃ- পর্তুগাল ও স্পেনের মধ্যে বিভক্তকারী সীমারেখা।

লাইন অব একচুয়াল কন্ট্রোলঃ- চীন ও ভারতের সীমান্তবর্তী রেখা।

গ্রিন লাইনঃ- ১৯৪৮ সালে আরব ইসরাইল যুদ্ধের সময় ইসরাইল কর্তৃক প্রতিষ্টিত সীমারেখা।

ফচলাইনঃ- প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সময় পোলান্ড ও লিথুনিয়ার মধ্যে চিহ্নিত সীমান্তবর্তী রেখা।

নর্দান লিমিট লাইনঃ- পিত সাগরে অবস্থিত উত্তর ও দক্ষিণ কোরিয়ার মধ্যে চিহ্নিত সমুদ্রসীমা।

পোস্টটি ভালো লাগলে শেয়ার করুণ। আপনাদের কোন তথ্য থাকলে তা জানাতে পারেন নিচের কমেন্টের মাধ্যমে।

পোস্টটি শেয়ার করুণ

সর্বশেষ আপডেট: জানুয়ারি ২১st, ২০১৭ সময়: ৯:৪৭ পূর্বাহ্ণ, আপডেট করেছেন মুনজুরুল আলম (এডমিন)


লেখক পরিচিতিঃ- মুনজুরুল আলম (এডমিন)

আসসালামু আলাইকুম। আমি মুনজুরুল আলম। বর্তমানে একটি সরকারি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত আছি। আমি ছোট বেলা থেকে লেখলেখি করায় মজা পাই। আমি মনে করি জানার কোন শেষ নেই। আমি সবার কাছ থেকে শিখতে পছন্দ করি। আর আমার শেখা তখনই স্বার্থক হবে যখন তা অন্যের কাছে পৌছে দিতে পারব।আর আমি চাই সবাইকে আমার ওয়েবসাইটে মেধা বিকাশের সুগোয দিতে। তাই আপনিও পারেন আমাদের ওয়েব সাইটের একজন লেখক হতে। তাহলে আজই রেজিস্ট্রেশন করুন ।


Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Time limit is exhausted. Please reload CAPTCHA.